কুমারখালীর গড়াই ব্রিজের কাজ শুরু

নানান প্রতিকুলতা পেড়িয়ে অবশেষে শুরু হলো এ অঞ্চলের মানুষের বহু প্রতীক্ষিত কুষ্টিয়ার কুমারখালীর যদুবয়রা-কুমারখালী গড়াই নদীর নির্মিত গড়াই ব্রীজের কাজ। জন্ম সৃষ্টি লগ্ন থেকেই কুমারখালী উপজেলা পদ্মা এবং গড়াই নদী দ্বারা তিন ভাগে বিভক্ত। গড়াই নদীর দক্ষিণ পাড়ে ৫টি ইউনিয়ন, উত্তর পাড়ে ৫টি ইউনিয়ন আর সাথে রয়েছে গড়াই পাড়ে গড়ে উঠা প্রায় পোনে দুইশত বছরের ঐতিহ্যবাহী কুমারখালী পৌরসভা, পদ্মা পাড়ে রয়েছে ১টি ইউনিয়ন।

গড়াই ওপাড়ে যদুবয়রা, চাপড়া, পান্টি, চাঁদপুর, বাগুলাট এ ৫টি ইউনিয়ন সুবিধা বঞ্চিত যার ফলে নদীর এপার ওপার নিয়ে রয়েছে রাজনীতি সহ বিভিন্ন বিষয়ে মতপার্থক্য।

এ ব্রীজটি নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে একদিকে যেমন চলমান রাজনৈতিক সহ নানা সংকট নিরসন হবে, অন্যদিকে শিক্ষা, সাংস্কৃতিক সহ সম্প্রসারিত হবে এ জনপদের মানুষের ব্যাবসা বাণিজ্য, উন্নয়ন হবে গ্রামীণ অবকাঠামোর।

বুধবার এ কাজের লে-আউট শুরু করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমারখালী পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব সামসুজ্জামান অরুন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ দেলোয়ার হোসেন মজুমদার, ঐ একই প্রকল্পের কনসালটেন্ট প্রকৌশলী জীবন কুমার মজুমদার, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান “ন্যাশন টেক” কতৃপক্ষ ও স্থানীয় গনমান্যব্যাক্তিদের উপস্থিতে ব্রীজের প্রাথমিক কাজ শুরু হলো।

আগামী ৩বছরের মধ্যে ব্রীজের কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ দেলোয়ার হোসেন মজুমদার আরও জানান, প্রায় ৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬৫০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ১০ মিটার প্রস্থ এ ব্রীজের দুই পাশে ৩০০ মিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন দীর্ঘদিন ধরেই এই সেতুর নির্মাণ কাজে নানা জটিলতায় ছিল যেমন গতবারের টেন্ডারে সর্বোচ্চ দরদাতা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের এতো বড় মাপের কাজ করার অভিজ্ঞতা না থাকার কারণে কারিগরি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী টেন্ডারটি বাতিল করা হয়েছিল।
যে কারণে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে বেশি সময় লেগে গেল।

কুষ্টিয়ার সময়-আ.আ.হ/মৃধা

বিজ্ঞাপন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *