অভিযানের পর অভিযান চলে কুমারখালীতে গড়াই নদীর বালু উত্তোলন বন্ধ হয় না!

নিজস্ব প্রতিবেদক: কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে অবৈধ ভাবে গড়াই নদীর পাড় কেটে উত্তোলন করা হচ্ছে বালু, হুমকীর মধ্যে আছে সাধারণ জনগন, নদীপাড়ের রাস্তাগুলি ও ফসলী জমি। কুমারখালীর লালন বাজার ও যদুবয়রার মধ্যে দিয়ে বয়ে চলেছে এই গড়াই নদী, আর এই নদীর লালন বাজারের নিকট থেকে নদীর পাড় কেটে বালি উত্তোলন করছে সাত্তার মেম্বর গং।

নদীর পাড় কেটে বালি উত্তোলন করার ফলে আগামী বন্যা মৌসুমে গড়াই নদী ভাঙনের মুখে পড়বে লালন বাজার সহ যদুবয়রা ও কুমারখালীর মানুষ এবং ক্ষতিগ্রস্থ হবে কোটি কোটি টাকা, পাশাপাশি বনসম্পদ সহ ধ্বংস হবে গৃহপালিত ফসলী জমি ও মানুষসহ গবাদি পশু।

এলাকাবাসীর অভিযোগ সাত্তার মেম্বর গং প্রতিদিন শত শত ট্রাক বালি লালন বাজারের নদীর পাড় কেটে বিক্রী করছে এবং ট্রাক চলাচলের কারনে রাস্তাগুলিও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। পাশাপাশি বাড়িঘর গুলিতে ধুলাবালিতে ভরে যাচ্ছে এবং ফসলের ব্যাপক আকারে ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে লক্ষ লক্ষ টাকা কামিয়ে নিচ্ছে সাত্তার মেম্বর গং।

কুমারখালীর উপর দিয়ে পদ্মা ও গড়াই নদী বয়ে চলেছে, আর এই দুই নদী থেকে অবাধে ও অবৈধ ভাবে বালি উত্তোলন করে চলেছে প্রভাবশালীরা এবং কামিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা দেখার কেউ নাই।

গড়াই নদীর যে সমস্ত জায়গা থেকে বালি উত্তোলন হচ্ছে তা হলো জিলাপী তলা, লালন বাজার, এলঙ্গী বড়–রিয়া, ভাঁড়রা, ব্রীজ ঘাট ও অন্যান্য এবং পদ্মা নদী থেকে শিলাইদহ হতে কুমারখালীর খোকসা সীমানা পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গা থেকে অবৈধ ভাবে শত শত ট্রাক, বাটা হাম্বা, টলি ভর্তি করে বিক্রী করে লক্ষ লক্ষ টাকা কামিয়ে নিচ্ছে অবৈধ বালি উত্তোলনকারীগণ।

বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা থাকতেও তারা এই অবৈধ বালি উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেওয়ার কারনে আইন ভঙ্গ করে ঐ সকল বালি উত্তোলনকারীরা সুযোগের সৎ ব্যবহার করছে এবং অপরদিকে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে সরকার। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে দেওয়া হলো।

এ বিষয়ে জানতে  কুমারখালীর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ফোনে কয়েকবার চেষ্টা করলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।

কুষ্টিয়ার সময়-আ.আ.হ/মৃধা

বিজ্ঞাপন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *