Tuesday , 11 July 2023 | [bangla_date]
  1. অপরাধ
  2. আন্তর্জাতিক খবর
  3. আবহাওয়া
  4. এইমাত্র পাওয়া
  5. খেলার খবর
  6. তথ্য প্রযুক্তি
  7. দেশের খবর
  8. ধর্মীয় খবর
  9. বানিজ্য
  10. বিনোদন খবর
  11. রাজনৈতিক
  12. লাইফস্টাইল
  13. শিক্ষা
  14. স্বাস্থ্য

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রবাসীর টাকা আত্মসাথের অভিযোগ মা-মেয়ের বিরুদ্ধে

সৌদি আরব প্রবাসীর কষ্টে উপার্জিত টাকা আত্মসাত করতে মা ও মেয়ে নানা সময় মিথ্যা নাটক সাজিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেই, এমনই অভিযোগ  উঠেছে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের বোয়ালদাহ মেছো পাড়া গ্রামের মোছা : লাবনী আক্তার ও তার মা মোছা : সেলিনা আক্তার সানুর বিরুদ্ধে।

লাবনী আক্তার কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের বোয়ালদাহ মেছো পাড়া গ্রামের মো: দাউদ হোসেনের মেয়ে। সূত্রে জানা যায় লাবনী আক্তার প্রবাসী ইকবাল হোসেনের সঙ্গে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে ইমুর (অনলাইন মিডিয়া) মাধ্যমে পরিচয় হয়। পরবর্তীতে দুইজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠলে লাবনী আক্তার   বিভিন্ন সময় নানা ভাবে নানা অজুহাতে কখনো বিকাশে কখনো রেমিট্যান্স এর মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেই।

প্রমান হিসেবে প্রবাসী ইকবাল কিছু ব্যাংক ডকমেন্ট সাংবাদিকদের হাতে তুলে দেয়। যাতে দেখা যায় অভিযুক্ত লাবনী আক্তার ও তার মা সেলিনা আক্তার সানুর NID কার্ড ব্যবহার করে ২০১৮ সাল থেকে এ প্রযন্ত কয়েক লক্ষ টাকা লেনদেন করে।

এছাড়াও লাবনীর বান্ধবী আনিকা আক্তারের NID ব্যবহার করেও কিছু টাকা লেনদেন হয়েছে।

ইকবাল আরো বলেন, হরিপুর বোয়ালদাহ মোড়ের বিকাশ এজেন্ট বকুলের এজেন্ট নাম্বারের মাধ্যমেও টাকা লেনদেন করতো লাবনী। বকুল সন্দেহ করলে লাবনী তার নিজের এবং লাবনীর মা সানু বেগমের নাম্বারে বিকাশ চালু করে। তার পর থেকে লাবনী নিজের ও তার মায়ের বিকাশ নাম্বারে টাকা লেনদেন করতো।
পরে যখন জানতে পারি লাবনী এভাবে ছেলেদের ঠকিয়ে টাকা হাতিয়ে নেই, তখন থেকে টাকা পাঠানো বন্ধ করে দিই। এখানেই শেষ না, লাবনী আমাকে অবিবাহিত বললেও তার একাধিক স্বামী আছে। লাবনীর ১ম স্বামী রাকিব, ২য় স্বামী আশিকুর। তার দুইটা স্বামী থাকা সত্ত্বেও সে নিজেকে অবিবাহিত পরিচয় দিয়ে আমার সাথে কোটে  বিবাহ করে। আমাকে বিয়ে করে বিভিন্ন সময় টাকা নিতে থাকে।

আমি কখনো লাবনীকে সন্দেহ করি নাই,  কারন সে আমার সাথে বিবাহিত স্ত্রীর মতই সব ধরনের সম্পর্কে লিপ্ত ছিল। পরবর্তীতে আমাকে ডিভোর্স না দিয়ে শাওন নামের একজনকে বিয়ে করে। আমি লাবনীর বিয়ের বিষয়টি জানতে পারলে তার কাছে আমার দেওয়া টাকা ফেরত চাই।  তখন সে বলে আমি তোর থেকে টাকা নিয়েছি তার কোন প্রমান নেই। পারলে তুই আমার কাছ থেকে টাকা ফেরত নিয়ে দেখা। এমনকি আমি যে তোকে বিয়ে করেছি তারও কোন প্রমান আমি রাখিনি, তাই তোর কিছুই করার নাই।
প্রবাসী ইকবাল সাংবাদিককে আরো বলে আমি বিদেশে অনেক কষ্ট করে ভালোবাসার মানুষের কাছে টাকা পাঠালাম, আর এখন সে আমার সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা করলো। আমি এখন কার কাছে বিচার দেবো।
প্রবাশী ইকবাল কান্না জনিত কন্ঠে বলেন, এটা লাবনী ও তার পরিবারের ব্যবসায় পরিনত হয়েছে।
এলাকা সূত্রে জানা যায়, লাবনীর পিতা দাউদ একজন দর্জি ব্যবসায়ী। ছোট একটি দোকান ভাড়া করে কোন রকম সংসার চালায়। কিন্তু হঠ্যাৎ করে কি এমন আলাদিনের চেরাগ পেলো যে রাতারাতি বাড়ি ঘর তৈরি করলো এলাকা বাসির এখনো অজানা।

সর্বশেষ - দেশের খবর